Over

6000

Students

Friday CLOSED

Sat - Tues 10am - 9pm

Call us

 

পেশা হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ও ফ্রিল্যান্সিং

ইন্টারনেট বাণিজ্যের এই যুগে ওয়েবসাইট ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানকে তো কল্পনাই করা যায় না! আবার ওয়েবসাইট থাকলেই কিন্তু এখন চলেনা। এটি সর্বত্র পোছে দিতে ব্যাপক মার্কেটিংয়েরও প্রয়োজন হয়। একটি ওয়েবসাইটকে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অন্যতম গুরত্বপূর্ণ একটি উপায়। দিন দিন বিশ্বব্যাপি যত ওয়েবসাইট বাড়ছে, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজের ক্ষেত্রও অনেক বাড়ছে। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতেও তাই দিন দিন বাড়ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজ। আর এ হিসাবে ফ্রিল্যান্সার হতে চাওয়া তরুণ-তরুণীদের অন্যতম পছন্দ হতে পারে এ ক্ষেত্রটি। ফ্রিল্যান্স মার্কেটপেসগুলোর তথ্যানুসারে, একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার মাসে ৫০ হাজার থেকে শুর করে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। প্রয়োজন কেবল সঠিক নির্দেশনা, প্রচেষ্টা, ধৈর্য্য এবং সময়। বর্তমানে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও এই পেশায় বেশ ভালো করছে। জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কিত ব্লগ এসইওমজ-এর ডাটা অনুযায়ী প্রতি ১০০ জন ফ্রিল্যান্স সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের মধ্যে ২৩ জনই নারী।

 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি ?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শব্দগুছটিতে তিনটি শব্দের যোগ হয়েছে। প্রথম দুটি হল সার্চ ইঞ্জিন এবং অপরটি হলো অপটিমাইজেশন।

সার্চ ইঞ্জিন বলতে- একটা ওয়েব সাইট যার মাধ্যমে সার্চ করে আমরা আমাদের কাঙ্খিত তথ্য খুব সহজে খুঁজে পেতে পারি। যেমন: গুগল, ইয়াহু, বিং এবং বাইদু। আর অপটিমাইজেশন মুলত কিছু পদ্ধতি বা কৌশল। আমরা জানি, ইন্টারনেটে প্রতিটি বিষয় নিয়ে হাজারো ওয়েবসাইট আছে। কিন্তু যখন সার্চ ইঞ্জিনে সে বিষয়ে খোঁজ করি বা সার্চ দেই তখন সব থেকে ভাল মানের ১০ টা ওয়েব সাইটকে ফলাফল হিসেবে প্রথম পেজে দেখতে পাই। হাজারো ওয়েবসাইট থেকে যেহেতু মাত্র ১০ টি ওয়েবসাইট প্রথম পাতায় দেখায়, তাই সবার লক্ষ্য থাকে এ পাতায় যাতে তাঁর নিজের ওয়েবসাইটটি থাকে। কারণ ব্যবহারকারীরা সাধারণত শীর্ষ দশের মধ্যে তার কাংখিত ওয়েবসাইটকে না পেলে দ্বিতীয় পাতায় না গিয়ে অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করে পুনরায় সার্চ করেন। সাধারণত ব্যবহারকারী লিস্টের প্রথম দিকে যেসকল সাইটের ঠিকানা থাকে তার মধ্যেই বেশি ভিজিট করেন। আর এ কারণেই প্রথম দিকে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসায়িকভাবেও বেশি সফল হয়ে থাকে।

একটি ওয়েবসাইটকে গুগলের প্রথমদিকে নিয়ে আসার যে কৌশল সেগুলোকেই মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলা হয়ে থাকে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে প্রধানত দুভাবে ভাগ করা হয়, অনপেজ অপটিমাইজেশন ও অফপেজ অপটিমাইজেশন।

 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের গুরুত্ব

যেহেতু অধিকাংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় তথ্য সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে, তাই পণ্যের প্রচার এবং বিক্রি বাড়াতে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্টে সবার উপরে যাওয়া খুবই গুরত্বপূর্ণ। যদি আপনার পণ্য এবং সেবা সংশ্লিষ্ঠ কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করলে আপনার ওয়েবসাইটকে সবার আগে দেখায় তাহলে ভিজিটররা আপনার সাইটেই বেশি ক্লিক করবে। আর বেশি ক্লায়েন্ট আসলে বেশি বিক্রি, এটি তো জানা কথা! আপনি একজন ব্লগার, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার, ই-কমার্স উদ্যোক্তা, সার্ভিস প্রোভাইডার অথবা ফ্রিল্যান্সার যাই হোন না কেনো, গ্রাহক খুঁজে পাওয়ার জন্য আপনার এসইও করতেই হবে।

আরও সহজভাবে বললে ইন্টারনেট থেকে যেভাবেই আয় করেন না কেন আপনাকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই করতে হবে। আর এ ওয়েবসাইটের প্রমোশনের জন্য আপনার এসইও করতেই হবে!

why seo

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

SEO কেন করবেন?

আপনার সাইট কে যদি আপনি SEO করে Top 10 এ নিয়ে আসতে পারনে তাহলে SEO করে অনেক  অনেক  লাভ।যদি আপনার ওয়বেসাইট কে SEO করে র্শীষ ১০ ফলাফলের ভিতরে নিয়ে আসতে পারনে তাহলে ভিজিটরের সংখ্যা যমেন বাড়বে তেমনি বাড়বে আপনার আয়ের সংখ্যাও।

  • আপনার সাইট টপ এ থাকলে প্রচুর ভিজিটর আসবে এবং আপনার সাইটটা যদি business related কোন সাইট হয় তাহলে প্রচুরকেনাবেচা হবে
  • আপনার সাইট এ গুগল অ্যাডসেন্স (Google Adsenseএর অ্যাড ব্যবহার করেও প্রচুর ইনকাম করতে পারেন
  • আপনার সাইটে আপনি AFFILIATE MARKETING সিস্টেম ব্যবহার করতে পারেন এতেও বেশ ভাল ইনকাম হবে
  • এরকম আরো বহুমুখি ইনকামের সোর্স হতে পারে আপনার ওয়েবসাইট তবে সবচেয়ে গুরুত্তপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে SEO এর হাজারো রকম কাজ পাওয়া যায় যেগুলো করে আপনি প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবেন

seo

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এসইওতে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার

একজন ফ্রিল্যান্স এসইও-র আয়

একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার এর আয় নির্ভর করে তার কাজ ও দক্ষতার উপর। যে যত বেশি দক্ষ তার আয়ও তত বেশি। সাধারণভাবে একটি সাইটকে গুগলের প্রথম পেজে আনতে সাইটের কিওয়ার্ডের উপর নির্ভর করে ২০০ থেকে ১ হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। এছাড়া অন্যান্য কাজগুলো করে ঘন্টায় ন্যূণতম ২ ডলার থেকে শুর করে ২০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যেতে পারে। এছাড়াও নির্ধারিত মূল্যে ফোরাম পোস্টিং, লিংক বিল্ডিং, ব্যাক লিংক বা বুকমার্কিং করে ১০ ডলার থেকে শুর করে ২০০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে। তবে এখানে মূলত আপনার কত সময় লাগবে এবং কোন কিওয়ার্ডের উপর কাজ করতে হবে সেটির উপর নির্ভর করে। তবে সাধারণত একজন দক্ষ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার অনায়াসেই মাসে ২০/৩০ হাজার থেকে শুরু করে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারেন।

 

গুগল অ্যাডসেন্স

আপনি যদি অ্যাডস বাই গুগল লেখা কোন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেন তাহলে উক্ত ওয়েবসাইটের মালিক গুগলের কাছ থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ রেভিনিউ পাবে। ইন্টারনেটে যত ওয়েবসাইট আছে তার অধিকাংশ ওয়েবসাইটই এই গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করে থাকে।
গুগল অ্যাডওয়ার্ডসের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতারা গুগলকে বিজ্ঞাপন দেয় আর সে বিজ্ঞাপনগুলো গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে ওয়েবমাষ্টার বা বগাররা তাঁদের সাইটে প্রদর্শন করে। এটি অনলাইনে টাকা উপার্জনের একটি ক্সবধ এবং জনপ্রিয় মাধ্যম, যা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।

কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করা যায়?

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করতে হলে প্রথমেই যে জিনিসটা দরকার সেটা হচ্ছে একটি তথ্যবহুল ওয়েবসাইট বা ব্লগ, যেখানে নির্দিষ্ট কোন একটা বিষয়ের উপর প্রচুর তথ্য উপাত্ত থাকবে এবং বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন যেমন গুগল, ইয়াহু, বিং থেকে ভিজিটররা এসে ওয়েবসাইট বা ব্লগে তাদের আকাংখিত তথ্য এবং সমাধান পাবে। দ্বিতীয়ত, একটি গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টের জন্য গুগলের নিজস্ব প্রাইভেসি পলিসি এবং টার্মস অব সার্ভিসেস গুলো মেনে আবেদন করতে হয়। দুই ধাপের ভেরিফিকেশন প্রসেস সম্পন্ন হওয়ার পর গুগল অ্যাডসেন্স কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীকে অ্যাপ্রোভাল দেয়।

আবেদন গৃহীত হওয়ার পর, ওয়েবমাস্টার বা ব্লগারকে অ্যাডসেন্স সাইট থেকে বিজ্ঞাপন জেনারেট করে তাদের নিজস্ব সাইটে বসাতে হয়। অ্যাডসেন্স রোবট সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে কন্টেক্সচুয়াল বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং ভিজিটররা উক্ত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা মাত্রই পাবলিশারদের অ্যাকাউন্টে প্রাপ্ত টাকাটা জমা হয়। প্রতি মাসের শেষের দিকে অ্যাডসেন্স কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টধারীর ঠিকানায় চেক ইস্যু করে।

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অন্যের পণ্য বা সেবা প্রচার এবং প্রচারণার মাধ্যমে বিক্রি করে দেওয়া বা বিক্রি করতে সাহায্য করা এবং সেটা থেকে নির্দিষ্ট হারে কমিশন গ্রহণ করা হছে একজন মার্কেটারের অ্যাফিলিয়েশন আয়। আর এই পুরো প্রক্রিয়াটিই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করার যত উপায় আছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হছে তন্মধ্যে অন্যতম কার্যকরী মাধ্যম। এই মাধ্যমকে ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোন প্রতিষ্ঠানের পণ্যের প্রচার চালিয়ে আয় করতে পারেন ইন্টারনেট মার্কেটাররা।

 

কেন বীকন আইটি’তে কোর্স করবেন?

আমাদের ফ্রিল্যান্সিং এন্ড সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন কোর্সের সিলেবাসটি বেসিক লেভেল থেকে শুরু করে এডভান্স লেভেল পর্যন্ত কাভার করা হয়েছে, ফলে আপনি কোর্সটি শেষ করে পরিশ্রম করলে প্রফেশনালী ইন্টারনেট মার্কেটার হিসাবে কাজ করতে পারবেন। কোর্সটিতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন ৩/৪ বছরের অভিজ্ঞতা সম্মন্ন ফ্রিল্যান্সার ও প্রফেশনাল ইন্টারনেট মার্কেটারগণ। কোর্স শেষ করার পরও নিয়মিত সাপোর্ট দেওয়া হয়।

 

বিস্তারিত সিলেবাস

Comments are closed.
Teachers

Eng. Nazrul Islam
Web Development Trainer
ইন্টারনেট বাণিজ্যের এই যুগে ওয়েবসাইট ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানকে তো কল্পনাই করা যায় না! আবার ওয়েবসাইট থাকলেই কিন্তু এখন চলেনা। এটি সর্বত্র পোছে দিতে ব্যাপক মার্কেটিংয়েরও প্রয়োজন হয়। একটি ওয়েবসাইটকে সর্বত্র […]
Md. Rabiul Hossain
Digital Marketing and SEO Trainer
ইন্টারনেট বাণিজ্যের এই যুগে ওয়েবসাইট ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানকে তো কল্পনাই করা যায় না! আবার ওয়েবসাইট থাকলেই কিন্তু এখন চলেনা। এটি সর্বত্র পোছে দিতে ব্যাপক মার্কেটিংয়েরও প্রয়োজন হয়। একটি ওয়েবসাইটকে সর্বত্র […]
Shafayat Hasan
android Apps Development Trainer
ইন্টারনেট বাণিজ্যের এই যুগে ওয়েবসাইট ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানকে তো কল্পনাই করা যায় না! আবার ওয়েবসাইট থাকলেই কিন্তু এখন চলেনা। এটি সর্বত্র পোছে দিতে ব্যাপক মার্কেটিংয়েরও প্রয়োজন হয়। একটি ওয়েবসাইটকে সর্বত্র […]
Mr. Rajib Barua
Graphics Design Trainer
ইন্টারনেট বাণিজ্যের এই যুগে ওয়েবসাইট ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানকে তো কল্পনাই করা যায় না! আবার ওয়েবসাইট থাকলেই কিন্তু এখন চলেনা। এটি সর্বত্র পোছে দিতে ব্যাপক মার্কেটিংয়েরও প্রয়োজন হয়। একটি ওয়েবসাইটকে সর্বত্র […]
Wasi Mohammed Abdullah
Software Engineer and Python Trainer
ইন্টারনেট বাণিজ্যের এই যুগে ওয়েবসাইট ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানকে তো কল্পনাই করা যায় না! আবার ওয়েবসাইট থাকলেই কিন্তু এখন চলেনা। এটি সর্বত্র পোছে দিতে ব্যাপক মার্কেটিংয়েরও প্রয়োজন হয়। একটি ওয়েবসাইটকে সর্বত্র […]
Shah Md. Robel
Digital Marketing and SEO Trainer
ইন্টারনেট বাণিজ্যের এই যুগে ওয়েবসাইট ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানকে তো কল্পনাই করা যায় না! আবার ওয়েবসাইট থাকলেই কিন্তু এখন চলেনা। এটি সর্বত্র পোছে দিতে ব্যাপক মার্কেটিংয়েরও প্রয়োজন হয়। একটি ওয়েবসাইটকে সর্বত্র […]
Fahim Bin Razzaque
Web Design Trainer
ইন্টারনেট বাণিজ্যের এই যুগে ওয়েবসাইট ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানকে তো কল্পনাই করা যায় না! আবার ওয়েবসাইট থাকলেই কিন্তু এখন চলেনা। এটি সর্বত্র পোছে দিতে ব্যাপক মার্কেটিংয়েরও প্রয়োজন হয়। একটি ওয়েবসাইটকে সর্বত্র […]
Iftekher Islam Sunny
Web Development Trainer
ইন্টারনেট বাণিজ্যের এই যুগে ওয়েবসাইট ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানকে তো কল্পনাই করা যায় না! আবার ওয়েবসাইট থাকলেই কিন্তু এখন চলেনা। এটি সর্বত্র পোছে দিতে ব্যাপক মার্কেটিংয়েরও প্রয়োজন হয়। একটি ওয়েবসাইটকে সর্বত্র […]
Shazzad Hossain
Graphic Design Trainer
My name is Shazzad Hossain,…
View All